অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের এপ্রিল-জুন এডিপি প্রকল্পে উপজেলা ব্যায়ামাগারের জন্য ৬ লাখ এবং একই অর্থবছরে অক্টোবর-ডিসেম্বরে ক্রীড়া সংস্থার সংস্কার ও উন্নয়নে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। বরাদ্দের অর্থে লংগদু ব্যায়ামাগারের মালামাল ক্রয়ের জন্য বরাদ্ধ থাকলেও কেনা হয়নি কোন সরঞ্জাম এবং কাজ হয়নি ছিটেফোঁটাও। এদিকে ক্রীড়া সংস্থা উন্নয়নের কিছু কাজ করা হলেও তুলনামূলক তা অতি নগণ্য। ব্যায়ামাগারের সরঞ্জামাদির জন্য কাজের ধরণ শতভাগ দেখালেও বাস্তবে তা শূন্যের কোঠায়। তবে ক্রীড়া সংস্থায় কিছু সস্তা আসবাবপত্র থাকলেও তা একেবারেই ব্যবহারের অনুপযোগী।
[contact-form][contact-field label="Name" type="name" required="true" /][contact-field label="Email" type="email" required="true" /][contact-field label="Website" type="url" /][contact-field label="Message" type="textarea" /][/contact-form]

এ বিষয়ে জানতে বরাদ্দ পাওয়া উপ প্রকৌশলী সাইফুল নাদিমের সাথে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। তিনি উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলবে বলে জানান।
তবে উপজেলা প্রকৌশলী শামসুল আলম জানান, নাদিম সাহেব আমাদের কাজ বুঝিয়ে দিয়েছে, আমরাও কাজ বুঝে পেয়েছি। ব্যায়ামাগারে মালামাল নেই কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- এটা খোঁজ খবর নিয়ে জানতে হবে। নাদিম সাহেব এখানকার ইঞ্জিনিয়ার কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সে এখানে তিন বছরের প্রজেক্টে আসছে বলেছে। এ মাসের জুনে তার মেয়াদ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। আমরা জেনেছি তার এখানে প্রজেক্টের সময় শেষ এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তার কাগজ পত্র দেখে জানতে হবে।
লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি কফিল উদ্দীন মাহমুদ বলেন, যেহেতু আমি এখানে আসার আগের ঘটনা, তাই খোঁজ খবর নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের বিষয়ে রাঙামাটি জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আহামদ শফি মুঠোফোনে জানান, নাদিমের বিষয়ে কিছু তথ্য আগেও পেয়েছি। এ ব্যাপারে আমি কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিবো।